রিপন রায়, বটিয়াঘাটা :
খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার রায়পুর বারোআড়িয়া ও ফুলবাড়ী বারোআড়িয়া জনগুরুত্বপূর্ণ দুটি খেয়াঘাট সাধারণ মানুষের পারাপার’র জন্য মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে । খেলাঘাট দিয়ে খুলনা জেলা শহরের সাথে কম সময়ে স্বল্প খরচে যাতায়াতের সুবিধার্থে উপজেলার সুরখালী ইউনিয়ন, পাশ্ববর্তী ডুমুরিয়া, পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার সাধারণ মানুষ যাতায়াত করে আসছে । বর্তমানে নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় খেয়াঘাট দুটি দিয়ে হাঁটু পর্যন্ত কাপড় উচু করে মেয়েদের পাশাপাশি চাকুরীজীবী, স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকমন্ডলী, হাটুরে এবং সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে । উল্লেখ্য বিগত বছরে এই খেয়াঘাট দুটির ইজরা গ্ৰহীতা ছিলেন গাওঘরা এলাকার মোকছেমুল, কল্যাণ শ্রী এলাকার মাসুদ ও বারোআড়িয়া এলাকার মোঃ খোকন । বিগত বছরের ইজারা গ্ৰহীতারা যাত্রীদের পারাপারের সুবিধার্থে পাকাঘাট থেকে নদীর দুই তীরে পানি পর্যন্ত বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে যাত্রীদের পারাপার করে আসছিল । বর্তমানে ঘাটের পাটনি হিসেবে ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকায় ইজারা গ্ৰহণ করেছেন বারোআড়িয়া এলাকার রতন কুমার দাশ। তিনি যাত্রীদের কাছ থেকে পারাপারে ৫ টাকা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে । কিন্তু বিগত বছরের ইজারা গ্ৰহিতারা তাদের নির্মিত বাঁশের সাঁকো খুলে নিয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের পারাপারের ঝুঁকি আরো মারাত্মক আকার ধারণ করেছে । অথচ পাশ্ববর্তী কৈয়া বাজার ও গাওঘরা ঘাটের সাঁকো ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্মান করলেও তাদের ইজারার মেয়াদ কাল শেষ হলেও তাদের নির্মিত বাঁশের সাঁকো খুলে নিয়ে যায়নি । এব্যাপারে ঘাটের ইজারা গ্ৰহীতা ঘাটে সাঁকো নির্মাণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট মৌখিকভাবে আবেদন করেন। নির্বাহী অফিসার থান্দার কামরুজ্জামান সরকারি বরাদ্দ না থাকায় ইজারাদারদের নির্মাণ করতে বলেছেন।









