প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ’২৬ খ্রি. বৃহস্পতিবার
সূত্র : নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশ প্রতিবেদক :
কক্সবাজারের চকরিয়ায় শহীদ আহসান হাবিবকে ‘জুলাই যোদ্ধা নন’ দাবি করে তাঁর নাম সরকারি গেজেট থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক। তাঁর দাবি, জুলাই আন্দোলনে আহসান হাবিবের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর পরিবার আওয়ামী লীগ সরকারের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নিয়েছিল।
এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চকরিয়া–পেকুয়া আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক। তিনি বলেছেন, আহসান হাবিব জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগের গুলিতে শহীদ হয়েছেন। আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি এতে সম্পৃক্ত ছিলেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘একজন শহীদের ব্যাপারে অযাচিত মন্তব্য আমাদের আহত করে।’
শহীদ আহসান হাবিবকে জুলাই যোদ্ধা মানতে নারাজ কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক। গতকাল বিকেলে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেনছবি: প্রথম আলো
গতকাল বুধবার বিকেলে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে আহসান হাবিবকে নিয়ে মন্তব্য করেন এনামুল হক। তিনি বলেন, ‘কে জুলাই যোদ্ধা? আমি–আপনি সেই জুলাই যোদ্ধা। যাঁরা জুলাই যুদ্ধ করতে গিয়ে বুকের রক্ত দিয়েছেন, জীবন দিয়েছেন, হাসিনাকে বিমানে তুলে দিয়েছেন, তারাই যোদ্ধা।’
এরপর আহসান হাবিবের নাম উল্লেখ করে এনামুল হক বলেন, চকরিয়ার এক জুলাই যোদ্ধার গেজেট হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। কিন্তু তিনি (আহসান) জুলাই যোদ্ধাদের মারতে গিয়েছিলেন। তাই তাঁর নাম গেজেট থেকে বাদ দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানান তিনি।
এনামুল হক আরও বলেন, ‘আহসান হাবিব মারা যাওয়ার পর ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা হেলালের নেতৃত্বে তাঁর বাবা, চাচা ও মা গণভবনে গিয়েছিলেন। সেখানে শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁদের “আবেগঘন কোলাকুলি” হয়েছিল। ওই দিন শেখ হাসিনা সংসদের তৎকালীন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে আহসান হাবিবের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছিলেন।’







