দেশ প্রতিবেদক:
খুলনা প্রেসক্লাবের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীসহ ক্লাবে অবস্থানরত সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সন্ত্রাসী হামলায় আতংকিত খুলনার সাংবাদিক সমাজ। এ ঘটনায় সাংবাদিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার খুলনা প্রেসক্লাবে এ সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ জানা যায়, একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতার মদদে কিছু দুর্বৃত্ত, যাদের মধ্যে কথিত মাদক ব্যবসায়ী ও টোকাইদের সম্পৃক্ততার কথা বলা হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে ওই প্রার্থী এবং প্রেসক্লাবের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়েছে। হামলার ঘটনাটি নির্বাচনকে বানচাল করার উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়েছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করেই একদল লোক এসে ক্লাবের ভেতরে ঢুকে পড়ে। এ সময়ে ক্লাবে উপস্থিত সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। সেখানে উপস্থিত এক প্রার্থীর ওপর চড়াও হয় এবং তাকে মারধর করার চেষ্টা করে। ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং উপস্থিত সাংবাদিকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
ভুক্তভোগী প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, “এটি শুধু আমার ওপর হামলা নয়, এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতার ওপর আঘাত। একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন ঠেকাতে এই ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলা চালানো হয়েছে।”
এদিকে খুলনা প্রেসক্লাবের সদস্যরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সাংবাদিক সমাজের অনেকেই আশঙ্কা করছেন, যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আরও বাড়তে পারে, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।








