সাতক্ষীরা, ১৮ বৈশাখ (০১ মে)
দেশ প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা :
মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা আজ (শুক্রবার) সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার।
মহান মে দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত আসবে এবার নব প্রভাত’।
আলোচনা সভায় অতিথিরা বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় শ্রমিকদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সুস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে বর্তমান প্রেক্ষাপটে কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ কমানো, নিরাপদ ও শোভন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শ্রম আইন যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় অনুষ্ঠানে। তারা আরও বলেন, শ্রমিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এর মাধ্যমে একটি টেকসই ও মানবিক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে শ্রমিকদের অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং মনোসামাজিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। দিবসটি উদযাপনের মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতি সংশ্লিষ্ট সকলে অঙ্গীকার পুর্নব্যক্ত করে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক সানতাজ বিল্লাহ। খুলনা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক মোঃ শাহিনুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শাহীনুর চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ^াস, জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন, ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ মাছুম বিল্লাহ, সিনিয়ন স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান, জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদুর রহমান, ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আজিজ বাবু বক্তৃতা করেন। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন এবং খুলনা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন দপ্তর যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় সরকারি–বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শ্রমিক–মালিক–কর্মচারী, ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন।









