১ মে ‘২০২৬ খ্রি. সকাল ৭.৩০ মিনিট
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে বিশেষ প্রতিবেদক শেখ আবিদ হোসেন :
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-এর সাবেক মহাসচিব সাবান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশে সকল কারাবন্দি সাংবাদিক, সাহিত্যিক, লেখক, বুদ্ধিজীবীদের অনতিবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। সকল সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, নিযাতন, হুমকি বন্ধ করতে হবে। একটি স্বাধীন ও অবাধ সাংবাদিকতা রক্ষা গণতন্ত্রের ভীত। এই ভীতকে নড়বড়ে করে ফেললে জাতি যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তেমনি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব হুমকির সম্মুখিন হয়ে পড়ে। সে কারণেই সাংবাদিকদের হাতকে বাধা যাবে না, তাদের মত প্রকাশে কোন অবস্থাতেই অন্তরায় হওয়া যাবে না। তিনি আরো বলেন, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, লেখক এরা দেশ ও জাতির স্বার্থে সত্য প্রকাশ করে। আর সেই সত্য বিষয়বস্তু নিয়ে সরকার কাজ করলে দেশ অল্প সময়ের মধ্যেই স্বাবলম্বী হতে পারে। সে কারণেই সাংবাদিক, লেখক, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। তাদেরকে কোন অবস্থাতেই হয়রানি করা যাবে না। তাদের নামে সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে কারাগার থেকে মুক্তি দিতে হবে।
গতকাল ৩০ এপ্রিল (বাংলাদেশের ১লা মে সকালে) স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে ৩টায় ওয়াশিংটন ডিসিতে আমিরিকান স্টেট ডিপার্টমেন্টের সামনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এক সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক শহীদুল হক জীবন, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আবিদ হোসেনসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট ও অংগ রাজ্যের আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পযায়ের নেতৃবৃন্দ।
এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ চরমভাবে মানবাধীকার লংঘিত হচ্ছে। নারী নিযাতন, ধর্ষন, গুম, হত্যা, মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্ছিত করে বাড়িঘর লুটপাট করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারছে না। লক্ষ লক্ষ মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে। শিল্প কলকারখানা বন্ধ হয়ে পড়েছে। নারী শ্রমিকরা যেমন জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, তেমনি চাকুরী হারানোর নিরাপত্তাহীনতায়ও চরম ভাবে ভূগছে। এর থেকে উত্তোরণ ঘটাতে হলে বাংলাদেশে সকল দলের অবাদ রাজনৈতিক বিচরণ থাকতে হবে। তিনি আওয়ামী লীগের উপর থেকে অনতি বিলম্বে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহর করে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতাকে রক্ষা করতে স্টেট ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আহবান জানান।
সমাবেশ শেষে সাংবাদিক সাবান মাহমুদের নেতৃত্বে স্থানীয় সাংবাদিকরা এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের নেতৃত্বে পৃথক ভাবে স্টেট ডিপার্টমেন্টের সেক্রেটারী মার্ক রুবিও-এর কাছে স্মারক লিপি প্রদান করেন। সমাবেশে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন দাবি সম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করতে দেখা যায়।










