প্রকাশ : ১২ জুলাই ’২৬ খ্রি. রবিবার
সূত্র : জামায়াতের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
দেশ ডেস্ক : :
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-কেডিএ আয়োজিত ‘আগামীর খুলনা বিনির্মাণে কেডিএ ও জনগণের ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভার দাওয়াতকার্ড ও ব্যানার নিয়ে নগরবাসীর সাথে নির্লজ্জ প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলনা অঞ্চলের নেতৃবৃন্দ।
গণমাধ্যমে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে এ ব্যাপারে জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় সেখানের ব্যানারে খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলালের নাম না থাকায় তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ জানানো হয়। জামায়াত নেতৃবৃন্দের প্রতিবাদের মুখে কিছু সময়ের জন্য ডিজিটাল ব্যানারে উক্ত দু’জন সংসদ সদস্যের নাম কিছু সময়ের জন্য প্রদর্শন করা হলেও পরে আবারো তাদের দু’জনের নাম বাদ দেওয়া হয়। এমনকি পরে কেডিএ চেয়ারম্যান এড. শফিকুল আলম মনার ব্যক্তিগত ই-মেইল আইডি থেকে পাঠানো কেডিএ’র সংবাদ বিজ্ঞপ্তির সাথে পাঠানো ছবির ব্যানারেও উক্ত দু’এমপির নাম ছিলনা। যা বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় পত্রপত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে। যেটি শুধু জামায়াত নেতৃবৃন্দ নয়, বরং গোটা নগরবাসীর সাথে প্রতারণার শামিল বলেও নেতৃবৃন্দ মনে করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ব্যানারের পাশাপাশি পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, উক্ত মতবিনিময় সভার দাওয়াতকার্ডও দু’ধরনের করা হয়েছিল। প্রথমত: জামায়াত নেতৃবৃন্দ এবং জামায়ত সমর্থিত পেশাজীবীদের মধ্যে যেসব কার্ড বিতরণ করা হয় সেখানে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত খুলনার দুইটি আসনের উক্ত দু’জন সংসদ সদস্যের নাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উল্লেখ থাকলেও অন্যান্যদের মধ্যে বিতরণকৃত কার্ডে তাদের দু’জনের নাম বিশেষ অতিথির তালিকায় ছিলনা।
সার্বজনীন একটি অনুষ্ঠানে এমন প্রতারণা প্রমাণ করে সরকারি একটি প্রতিষ্ঠানকে নির্লজ্জ দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছে। যা ৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের উদ্দেশ্যকে ম্লাণ করে দিয়েছে। কেননা চব্বিশের জুলাই-আগষ্টের গণঅভ্যুত্থানের উদ্দেশ্যই ছিল দেশের কোথাও কোন বৈষম্য এবং দলীয়করণ থাকবে না। খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উক্ত মতবিনিময় সভার মধ্যদিয়ে জুলাইয়ের সেই আকাংখার বিরুদ্ধে অবস্থানই দেখতে পেলো নগরবাসী।
বিবৃতিদাতারা হলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি, টিম সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি, মাওলানা মশিউর রহমন খান এমপি, মাষ্টার শফিকুল আলম ও মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি।
অনুরূপ বিবৃতি দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগর আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন ও সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা আমীর উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল ও সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, বাগেরহাট জেলা আমীর মাওলানা রেজাউল করিম ও সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মদ ইউনুস।








