বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী সোজাসাপ্টা বার্তা দিয়েছেন: ব্যাংক খাত ও বেসরকারি শিল্পে নতুন মূলধন জোগান ছাড়া অর্থনৈতিক সংস্কার এগোবে না। রয়টার্স জানায়, আমির খসরু মূলধনের ঘাটতিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে তুলে ধরে দুর্বল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, প্রায় দেউলিয়া ব্যাংক এবং আমদানিকৃত জ্বালানির ব্যয়ে বেড়ে যাওয়া প্রায় ২০০ কোটি ডলারের জ্বালানি ঘাটতির কথা বলেছেন।
এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ব্যাংকিং দুর্বলতা থাকলে সংস্কারের ঘোষণা দিলেই অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ায় না। ঋণদাতারা দুর্বল হলে ব্যবসায় বিনিয়োগ কমে যায়, পরিবারগুলোর আস্থা নষ্ট হয় এবং সরকারের ওপর বয় বাড়ানোর চাপ পড়ে – অথচ আর্থিক পরিসরও সীমিত থাকে। এর ওপর জ্বালানি ধাক্কা আমদানি ব্যয় বাড়িয়ে পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে।
অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের গুরুত্ব এখানেই যে এটি অস্পষ্ট সংস্কার-শ্লোগানের বদলে বাস্তব সমস্যাকে সামনে আনে। বাংলাদেশের শুধু ভালো নীতি-ভাষণ নয়, দুর্বল খাতগুলোতে বাস্তব মূলধন ঢালার প্রয়োজন। তা না হলে অন্য সব সমাধান কেবল উপরের সাজসজ্জা হয়েছেই থেকে যেতে পারে।









