ইউরোপীয় নীতিনির্ধারকেরা এখন ইরান যুদ্ধকে দূরের কোনো নিরাপত্তা ইস্যু নয়, বরং সরাসরি অর্থনৈতিক ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন। রয়টার্স জানায়, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দে সতর্ক করেছেন যে এই সংঘাত ইউরোজোনে পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি মুদ্রাস্ফীতি তৈরি করতে পারে এবং একই সঙ্গে প্রবৃদ্ধিও দুর্বল করতে পারে। এর প্রধান কারণ জ্বালানির উচ্চ দাম ও আর্থিক অবস্থার কড়াকড়ি।
ইউরোপের জন্য এটি কঠিন সমীকরণ। মুদ্রাস্ফীতি আবার বাড়লে সুদ কমানোর সুযোগ সীমিত হয়ে যায়, অথচ পরিবার ও ব্যবসা দুপক্ষই সস্তা ঋণ থেকে লাভবান হতে পারত। ইউক্রেন যুদ্ধের পর সরবরাহ-বিঘেœ সংবেদনশীল ইউরোপে নতুন জ্বালানি ধাক্কা নীতিনির্ধারকদের আরও চাপে ফেলছে। এখন প্রশ্ন আর ইউরোপ সংকট টের পাচ্ছে কি না, তা নয়; বরং এই প্রভাব কতটা গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী হবে।
আসল উদ্বেগ আরও কাঠামোগত। যদি একই সঙ্গে ব্যয়বহুল জ্বালানি, ধীর উৎপাদন এবং ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বজায় থাকে, তাহলে রাজস্ব ও মুদ্রানীতির কর্তৃপক্ষকে কষ্টকর সমঝোতায় যেতে হবে। ফ্রাঙ্কফুর্টের সাম্প্রতিক সতর্কতা দেখাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এখন ইউরোপের অর্থনৈতিক পূর্বাভাসের অংশ।









