শুভেন্দু অধিকারীর বাংলাদেশ-সম্পর্কিত বক্তব্য সাম্প্রতিক সময়ে দুই বাংলাতেই বিতর্ক তৈরি করেছে। “কয়েক মিনিটে বাংলাদেশ দখল” করার মতো মন্তব্য শুধু রাজনৈতিক আক্রমণ নয়, বরং একটি স্বাধীন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রতি অশালীন ও উসকানিমূলক ভাষা। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী রাজনীতিতে বাংলাদেশ, সীমান্ত, অনুপ্রবেশ ও ধর্মীয় পরিচয়—এসব বিষয় প্রায়ই ভোটের কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই শুভেন্দুর বক্তব্যকে অনেকেই রাজনৈতিক মেরুকরণ তৈরির চেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক ইতিহাস, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও কূটনীতির দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোনো প্রভাবশালী রাজনীতিকের এমন মন্তব্য দুই দেশের মানুষের মধ্যে অবিশ্বাস ও উত্তেজনা বাড়াতে পারে। সংখ্যালঘু অধিকার বা সীমান্ত সমস্যা নিয়ে আলোচনা অবশ্যই হতে পারে, কিন্তু তা হওয়া উচিত সংযত, তথ্যভিত্তিক ও কূটনৈতিক ভাষায়। প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে হুমকি দিয়ে নয়, পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার মাধ্যমেই আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখা সম্ভব।







