চীন এখন একসঙ্গে দুই দিক সামলাচ্ছে: ইরান যুদ্ধের প্রশ্নে নিজেকে কূটনৈতিক শক্তি হিসেবে তুলে ধরা এবং একই সঙ্গে এর অর্থনৈতিক ক্ষতি থেকে নিজেকে বাঁচানো। রয়টার্স জানায়, আগামী মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকের প্রস্তুতির মধ্যেই বেইজিং সংঘাত থামাতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে, তবে তেহরানকেও দূরে ঠেলে দিতে চাইছে না। মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর চীনের নির্ভরতা এই সতর্ক অবস্থানের মূল কারণ।
একই সময়ে, রয়টার্সের আরেক প্রতিবেদনে দেখা যায় যে যুদ্ধ-সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি সত্ত্বেও চীনের প্রথম প্রান্তিকের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল। এর মানে এই নয় যে বেইজিং নিশ্চিন্ত; বরং তারা মনে করছে স্বল্পমেয়াদি ধাক্কা সামাল দেওয়ার মতো নীতিগত সরঞ্জাম এখনও তাদের হাতে আছে।
চীনের অবস্থান আবেগনির্ভর নয়, পুরোপুরি কৌশলগত। তাদের লক্ষ্য জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা, ওয়াশিংটনের সঙ্গে নিয়ন্ত্রিত সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক প্রভাব ধরে রাখা। তাই সামনে দেখা যাবে আরও সক্রিয় কূটনীতি, মেপে কথা বলা এবং তেলের দামে ধাক্কার ঝুঁকির ওপর নিবিড় নজর।









