রবিবার, অক্টোবর 4, 2026
  • Login
  • যোগাযোগ
দৈনিক দেশ সংযোগ
  • 🏠 হোম
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিনোদন
  • মতামত
  • মহানগর জেলা ও উপজেলা
  • 📰 ই-পেপার
No Result
View All Result
দৈনিক দেশ সংযোগ
📰ই-পেপার
No Result
View All Result
Home জাতীয়

সুরক্ষিত শৈশব : নিরাপদ আগামী

দেশ সংযোগ by দেশ সংযোগ
জুন 9, 2026
in জাতীয়
0
0
SHARES
14
VIEWS

 

নাসরীন জাহান লিপি

 প্রকাশ : ০৮ জুন ’২৬ খ্রি. সোমবার

 

একটি শিশুর হাসিমুখ একটি পরিবারের, তথা একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য। কিন্তু প্রায়ই আমরা এমন ভয়াবহ ঘটনার মুখোমুখি হচ্ছি, শিশুর নিষ্পাপ হাসিকে মুছে দিচ্ছে বারবার। নিষ্পাপ ফুলের মতো আছিয়া, রামিসা, আব্দুল্লাহ অকালে ঝরে যাচ্ছে গোটা দেশকে কাঁদিয়ে। আমরা আমাদের দেশকে শিশুদের জন্য নিরাপদ করতে চাই। প্রশ্ন হচ্ছে, এই চাওয়া কবে পূরণ হবে? শিশুদের প্রতি যৌন সহিংসতা ও নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। পত্রিকার পাতায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই দেখা যায় কোথাও না কোথাও শিশু ধর্ষণ, খুন, শারীরিক নির্যাতন কিংবা অনলাইনে হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। অনেক সময় অপরাধী হয় পরিচিত কেউ আত্মীয়, প্রতিবেশী, শিক্ষক, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি কিংবা পরিবারের ঘনিষ্ঠ মানুষ। ছোট্ট শিশুর প্রতিরোধ ক্ষমতা নেই, সহজ শিকারে পরিণত হয়ে খুন হচ্ছে আমাদের সন্তানরা। আর যারা বেঁচে থাকছে, তারা ভয়, লজ্জা ও বিভ্রান্তিতে চুপ করে থাকে। বড়োরাও যেন বুঝতে পারছেন না কীভাবে সুরক্ষিত রাখবেন আদরের টুকরোকে। সমাজ-রাষ্ট্রকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখাচ্ছে অমানুষদের দৈরাত্ম। কিন্তু, এভাবে আর কতদিন?   

সংশ্লিষ্ট খবর

হবিগঞ্জে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকায় জামায়াত নেতা দল থেকে বহিষ্কৃত
বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির নুরুল ইসলামকে (সজল) দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।-- দেশ সংযোগ

হবিগঞ্জে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকায় জামায়াত নেতা দল থেকে বহিষ্কৃত

আগস্ট 6, 2026
মহেশখালীতে বনের ভেতর সড়ক নির্মাণ কার্যক্রমে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

মহেশখালীতে বনের ভেতর সড়ক নির্মাণ কার্যক্রমে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

আগস্ট 6, 2026

শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে পড়ে, কেননা শিশুরা স্বাভাবিকভাবেই বড়োদের বিশ্বাস করে। তারা বুঝতে পারে না কোন আচরণ নিরাপদ আর কোনটি বিপজ্জনক। অপরাধীরা প্রায়ই শিশুকে ভয় দেখায়, উপহার দেয়, গোপন কথা রাখতে বলে বা আবেগের সুযোগ নেয়। অনেক পরিবারে মুক্তমনে আলোচনার পরিবেশ না থাকায় শিশুরা বিপদের ভাষাও শিখে না। এছাড়া সামাজিক কিছু সমস্যাও শিশু নির্যাতনের ঝুঁকি বাড়ায়। যেমন, ক্ষমতার অপব্যবহার, শিশুদের মতামতকে গুরুত্ব না দেওয়া, “চুপ থাকাই ভালো” সংস্কৃতির চর্চা, অপরাধীর সামাজিক প্রভাব, অনলাইন নিরাপত্তাহীনতা ইত্যাদি। মনে রাখতে হবে, নীরবতাই অপরাধীদের শক্তি বাড়ায়। শিশু সুরক্ষা শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ নয়; এটি পরিবার, বিদ্যালয়, সমাজ ও রাষ্ট্র – সবার যৌথ দায়িত্ব। শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতন রোধে কেবল কঠোর আইনই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা, পারিবারিক শিক্ষা এবং সম্মিলিত প্রতিরোধ।

শিশুকে ভয় দেখিয়ে নয়, সচেতন করেই নিরাপদ রাখা যায়। সচেতনতার শুরু হোক পরিবার থেকে। কেননা একটি শিশুর প্রথম পাঠশালা হলো তার পরিবার। ছোটোবেলা থেকেই তাদের কয়েকটি বিষয় শেখানো প্রয়োজন, যেমন নিজের শরীর নিজের, শরীরের ব্যক্তিগত অংশ সম্পর্কে ধারণা, কেউ অস্বস্তিকরভাবে স্পর্শ করলে “না” বলা, ভয় পেলেও বিশ্বস্ত বড়ো কাউকে জানানো, গোপন স্পর্শ বা গোপন কথা কখনো লুকিয়ে না রাখা। শিশুকে বোঝাতে হবে অন্যায় যে করে সে অপরাধী আর লজ্জা দিতে হবে কেবল অপরাধীকে, ভুক্তভোগীকে নয়। শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে বাবা-মাকে খুব ছোটোবেলা থেকেই অত্যন্ত সহজ ভাষায় শরীরের গোপনীয়তা এবং ‘নিরাপদ স্পর্শ’ ও ‘অনিরাপদ স্পর্শ’ সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে।

সহজ যোগাযোগের পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে পরিবারে। সন্তানদের সাথে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলুন যেন তারা যেকোনো ভয়, দ্বিধা বা অস্বস্তি ছাড়াই আপনার সাথে সব শেয়ার করতে পারে। অপরিচিতদের থেকে সাবধানতা শেখান শিশুকে। কোনো অপরিচিত ব্যক্তি চকলেট, খেলনা বা অন্য কিছুর প্রলোভন দেখালে যেন তারা প্রলুব্ধ না হয়, সেই শিক্ষা দিন।

পরিবার শিশু সুরক্ষার প্রথম আশ্রয়। বাবা-মা বা অভিভাবকদের উচিত শিশুর কথা মন দিয়ে শোনা, আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন হলে গুরুত্ব দেওয়া। অনেক সময় শিশু সরাসরি কিছু বলতে পারে না। ভয়, চুপচাপ হয়ে যাওয়া, হঠাৎ রাগ, ঘুমের সমস্যা বা নির্দিষ্ট কারো কাছে যেতে না চাওয়া এসবও সংকেত হতে পারে। শিশুকে অপমান বা দোষারোপ করবেন না কখনো। শিশুর অনলাইন ব্যবহারে নজর রাখা, “বড়োদের সব কথা মানতেই হবে” এমন শিক্ষা না দেওয়া এখন জরুরি হয়ে গেছে।

“মান-সম্মানের” ভয়ে অপরাধ চাপা দিলে অপরাধী আরও সাহস পায়। বরং শিশুর পাশে দাঁড়ানো এবং দ্রুত আইনি সহায়তা নিশ্চিত করাই মানবিক কাজ। স্কুলে-কোচিং সেন্টারে-মাদ্রাসায় শিশু সুরক্ষা নীতি থাকা জরুরি। শিক্ষক, কোচিং সেন্টার, মাদ্রাসা, হোস্টেল সব জায়গায় নজরদারি ও জবাবদিহি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারিনি আমরা, পারতেই হবে। শিশু যেন অভিযোগ করতে পারে এমন নিরাপদ ব্যবস্থা থাকতেই হবে।

সমাজেরও দায়িত্ব আছে। অপরাধীরা প্রায়শই সমাজের নীরবতার সুযোগ নেয়। তাই সামাজিক স্তরে কিছু পরিবর্তন জরুরি। আমরা যখন ছোট ছিলাম, পাড়া-মহল্লায় মুরব্বিদের নজরদারি ছিল। নিজ এলাকার শিশুদের প্রতি প্রতিবেশীদেরও এক ধরনের অভিভাবকত্ব থাকা উচিত। কোনো শিশুর আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখলে বা কাউকে সন্দেহজনক মনে হলে সাথে সাথে খোঁজ নেওয়া প্রয়োজন। দুর্ভাগ্যবশত কোনো ঘটনা ঘটলে শিশুর পরিবার বা শিশুকে দোষারোপ করার মানসিকতা ঝেড়ে ফেলতে হবে। সমাজকে অপরাধীর বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে, ক্ষতিগ্রস্ত শিশুর পাশে দাঁড়াতে হবে।

প্রযুক্তির যুগে সতর্কতা বহুমাত্রিক হওয়া প্রয়োজন। এখন অনলাইনে শিশুরা নতুন ধরনের ঝুঁকিতে পড়ছে। ডিজিটাল যুগে শিশুরা সহজেই ইন্টারনেটের সংস্পর্শে আসছে। অনেক সময় সাইবার জগতের ফাঁদও শিশুদের বিপদে ফেলে। অপরিচিত কেউ বন্ধুত্ব করে ব্যক্তিগত ছবি চাইতে পারে, ভয় দেখাতে পারে বা প্রতারণা করতে পারে। তাই শিশুদের শেখাতে হবে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করা, অপরিচিত কারো সঙ্গে একা যোগাযোগ না রাখা, সন্দেহজনক কিছু ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে জানানো। শিশুদের ডিভাইস ব্যবহারের সময় বড়োদের নজরদারি থাকা উচিত। তারা ইন্টারনেটে কী দেখছে বা কার সাথে যোগাযোগ করছে, সে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।

যেকোনো শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে বা এ ধরনের ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত সরকারি সহায়তা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সহায়তার জন্য ১০৯৮ শিশু সহায়তামূলক হেল্পলাইনে, জরুরি পরিস্থিতিতে ৯৯৯ জাতীয় জরুরি সেবায়, অথবা ১০৯ নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সেলে যোগাযোগ করা যেতে পারে। এসব সেবা নির্যাতনের শিকার শিশুদের সুরক্ষা, উদ্ধার, পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করে। তাই শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো ঘটনা বা ঝুঁকির তথ্য জানা মাত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা উচিত।

শুধু সচেতনতা পারবে না শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ করতে। দরকার আইনের কঠোর প্রয়োগ ও দ্রুত বিচার। ২০১৮ সালে পাকিস্তানের কাসুর এলাকায় ৭ বছর বয়সী শিশু জয়নব আনসারিকে অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। তীব্র জনরোষ এবং প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে মাত্র ১ মাসের মধ্যে মামলার তদন্ত শেষ করা হয়। অ্যান্টি-টেরোরিজম কোর্ট মাত্র ৪ দিনের টানা শুনানির পর অপরাধী ইমরান আলীকে ৪ বার মৃত্যুদণ্ড- দেয়। ঘটনার ৯ মাসের মাথায় অপরাধীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। পাকিস্তানের ইতিহাসে এটি ছিল দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন হওয়া কোনো হাই-প্রোফাইল বিচার।

বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইন রয়েছে। বিশেষ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন ও শিশু নির্যাতনের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান আছে। এরপরও মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলার এক বছর পার হলেও এখনো কার্যকর হয়নি মৃত্যুদণ্ডের রায়। ২০২৫ সালের ৫ মার্চ বোনের শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয় আট বছরের আছিয়া। পরে ঢাকার সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। 

আইনের ভয় না থাকলে অপরাধপ্রবণতা বাড়ে। শিশু ধর্ষণ রোধে বিচার ব্যবস্থার ভূমিকা অনস্বীকার্য। শিশুদের বিরুদ্ধে হওয়া অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া যেন দীর্ঘসূত্রী না হয়, সেজন্য বিচার হতে হবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে। যখন একটি অপরাধের বিচার ১ থেকে ৬ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হয় এবং সাজা কার্যকর হয়, তখন সম্ভাব্য অপরাধীরা বুঝতে পারে যে অপরাধ করে পার পাওয়া অসম্ভব। এটি সমাজে “কালচার অব ইম্পিউনিটি” বা “অপরাধ করেও পার পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি” চিরতরে বন্ধ করতে সাহায্য করে। ভুক্তভোগী পরিবার যেন সহজেই আইনি সহায়তা পায় এবং কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর নির্দেশনায় শিশু সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দ্রুত সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানির মাধ্যমে অপরাধীদের সাজা দেওয়া হয়েছে। এতে ভুক্তভোগী পরিবার কিছুটা হলেও ন্যায়বিচারের অনুভূতি পেয়েছে। কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি, অভিযোগ বাক্স ও শিশু সুরক্ষা কমিটি চালু করার ফলে নির্যাতনের ঘটনা কমেছে এবং অভিযোগ গোপন রাখা কঠিন হয়েছে। অনলাইনে শিশু নির্যাতন বা ব্ল্যাকমেইলের ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশ-এর সাইবার ইউনিট দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে অনেক অপরাধীকে শনাক্ত করেছে।

বুঝতে হবে, যদি মামলা দীর্ঘদিন চলে তাহলে শিশু ও শিশুর পরিবার মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, সাক্ষ্য দুর্বল হয়ে যায়, অপরাধীরা প্রভাব খাটানোর সুযোগ পায়, সমাজে ভয় ও অবিশ্বাস বাড়ে। অন্যদিকে দ্রুত বিচার হলে শিশুর আস্থা ফিরে আসে, অন্য অপরাধীরা সতর্ক হয়, পরিবার অভিযোগ করতে সাহস পায়। তবে শুধু শাস্তি নয়, প্রতিরোধও জরুরি। কঠোর আইন দরকার, কিন্তু তার পাশাপাশি দরকার শিশু-বান্ধব তদন্ত ব্যবস্থা, ভুক্তভোগীর মানসিক সহায়তা, সাক্ষীর নিরাপত্তা এবং পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সচেতনতা। কারণ একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে ওঠে তখনই, যখন অপরাধীর ভয় থাকে এবং শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

আসুন, বিকৃত মানসিকতার বিরুদ্ধে আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দুর্গ গড়ে তুলি, যেন আর কোনো শিশুর শৈশব কেঁদে না ওঠে। একটি শিশুকে সুরক্ষিত রাখা মানে একটি প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখা। আইন, প্রশাসন আর সচেতন নাগরিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।

 

লেখক : উপপ্রধান তথ্য অফিসার, তথ্য অধিদফতর

Tags: ফিচার
Previous Post

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় এ বছর তালের বাম্পার ফলন

Next Post

ভারতের জেল থেকে ছাড়া পাওয়া ৯১ জেলেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

Next Post
ভারতের জেল থেকে ছাড়া পাওয়া ৯১ জেলেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
সোমবার দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা (ঢাকা) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন-এর মাধ্যমে ভারতে কারাবরণকারীদের হস্তান্তর করে ভারতীয় বাহিনী। দেশ সংযোগ

ভারতের জেল থেকে ছাড়া পাওয়া ৯১ জেলেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

RECOMMENDED NEWS

খুবি উপাচার্যের সঙ্গে নৌবাহিনীর সোলাম অধিনায়কের সাক্ষাৎ
মঙ্গলবার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা প্রদান করেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর স্কুল অব লজিস্টিকস এন্ড ম্যানেজমেন্ট (সোলাম)-এর অধিনায়ক ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। -- দেশ সংযোগ

খুবি উপাচার্যের সঙ্গে নৌবাহিনীর সোলাম অধিনায়কের সাক্ষাৎ

4 মাস ago

অলৌকিক ঘটনা! রহমত নাকি প্রকৃতির খেয়াল? কেবল একটি কবরেই মুশলধারে বৃষ্টি

5 মাস ago
খুলনায় বস্তাবন্দি অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার
বুধবার খুলনা মহানগরীর প্রান্তিক আবাসিক এলাকায় রাতে অজ্ঞাত নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। -- দেশ সংযোগ

খুলনায় বস্তাবন্দি অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

3 মাস ago
খুলনার কয়রায় একাধিক শিক্ষার্থীকে বলৎকারের অভিযোগ
খুলনার কয়রা উপজেলায় একাধিক শিশুকে বলৎকারের অভিযোগ মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে। দেশ সংযোগ

খুলনার কয়রায় একাধিক শিক্ষার্থীকে বলৎকারের অভিযোগ

4 মাস ago

FOLLOW US

BROWSE BY CATEGORIES

  • অর্থনীতি
  • অশ্রেণীভুক্ত
  • আন্তর্জাতিক
  • আলোচিত
  • খেলার খবর
  • জাতীয়
  • মতামত
  • মহানগর জেলা ও উপজেলা
  • রাজনীতি
  • শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিনোদন

বিষয়ভিত্তিক ব্রাউজ করুন

অর্থ আত্মসাত সংবাদ আইএসপিআর সংবাদ আইন আদালত আইন শৃংখলা আইন শৃংখলা সংবাদ আইন শৃংখলাা সংবাদ আন্তর্জাতিক সংবাদ ঈদুল আযহার সংবাদ ঈদের সংবাদ উন্নয়ন সংবাদ এনজিও সংবাদ কৃষি সংবাদ কেডিএ সংবাদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদ খূলনা বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদ খেলার সংবাদ জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে কর্মসূচি গ্রহণ জীব বৈচিত্র সংবাদ পরিবেশ পরিবেশ ও অর্থনীতি সংবাদ পরিবেশ দিবসের সংবাদ পরিবেশ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শন সংবাদ ফিচার ফিচার লেখা বইপড়া কর্মসূচি বিজ্ঞান মেলা বিশ্বকাপ ফুটবল বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদ বৃক্ষরোপন ব্যবসা বাণিজ্য সংবাদ ভূমি সেবা মেলা সংবাদ রাজনীতি রাজনীতির সংবাদ শিক্ষাঙ্গণ শিল্প ও অর্থনীতি শোক সংবাদ সাংবাদিক ইউনিয়নের সংবাদ সিটি কর্পোরেশন সংবাদ সিটি প্রশাসক সংবাদ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সংবাদ স্বাস্থ্য চিকিৎসা সংবাদ সড়ক দুর্ঘটনা সংবাদ
দৈনিক দেশ সংযোগ

দেশ ও জনগণের কথা বলে

আমাদের সাথে থাকুন:

সর্বশেষ সংবাদ

  • জলাবদ্ধতা নিরসনে খুদে খালের সঙ্গে সংযুক্ত ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন কেসিসি প্রশাসক
  • আমরা মাদক ও সন্ত্রাসকে না বলব এবং খেলাধুলাকে হ্যাঁ বলব-আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী
  • খুলনায় ৩,৯৫৮ পিস ইয়াবাসহ চারজন গ্রেপ্তার

বিভাগসমূহ

  • অর্থনীতি
  • অশ্রেণীভুক্ত
  • আন্তর্জাতিক
  • আলোচিত
  • খেলার খবর
  • জাতীয়
  • মতামত
  • মহানগর জেলা ও উপজেলা
  • রাজনীতি
  • শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিনোদন

সর্বশেষ সংবাদ

জলাবদ্ধতা নিরসনে খুদে খালের সঙ্গে সংযুক্ত ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন কেসিসি প্রশাসক
শনিবার জলাবদ্ধতা নিরসনে খুদে খালের সঙ্গে সংযুক্ত ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। -- দেশ সংযোগ

জলাবদ্ধতা নিরসনে খুদে খালের সঙ্গে সংযুক্ত ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন কেসিসি প্রশাসক

আগস্ট 8, 2026
আমরা মাদক ও সন্ত্রাসকে না বলব এবং খেলাধুলাকে হ্যাঁ বলব-আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী

আমরা মাদক ও সন্ত্রাসকে না বলব এবং খেলাধুলাকে হ্যাঁ বলব-আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী

আগস্ট 8, 2026
  • আমাদের পরিবার
  • বিজ্ঞাপন
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি/ Privacy policy

© ২০২৬ দৈনিক দেশ সংযোগ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

ফটোকার্ড তৈরি করুন

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • Home
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিনোদন
  • জাতীয়
  • খেলার খবর
  • মহানগর জেলা ও উপজেলা
  • মতামত
  • Login

© ২০২৬ দৈনিক দেশ সংযোগ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।