প্রকাশ : ২২ জুন ’২৬ খ্রি. সোমবার
দেশ প্রতিবেদক ::
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সরকারী দৌলতপুর মুহসিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-খুলনা, টিআইবি এর সহযোগিতায় বিতর্ক প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সনাক-খুলনা এর পরিবেশ উপকমিটি এর আহ্বায়ক ও সহ সভাপতি গৌরাঙ্গ নন্দী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম ছায়েদুর রহমান। অনুষ্ঠানে সরকারী দৌলতপুর মুহসিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। এরপরই শুরু হয় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘প্রকৃতি-বান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত উদ্যোগ জলবায়ু পরিবর্তন রোধে সহায়ক’ বিষয়ের উপর সনাতনী বিতর্ক প্রতিযোগিতা। বিতর্ক প্রতিযোগিতা শেষে দিবসের উপর ধারণা পত্র উপস্থাপন করেন সনাক-খুলনা এর সহ সভাপতি রীনা পারভীন। অনুষ্ঠানে দিবসের উপর মূল আলোচনা করেন সনাক-খুলনা এর সদস্য অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির। তিনি বলেন ‘আজকের পরিবেশ ও জলবায়ুর যে বিপর্যয় আমরা দেখতে পাই, তার বহুবিধ কারণ রয়েছে। এসবের মধ্যে জীবাশ্ম জ্বালানির অধিক ব্যবহার আমাদেরকে চরম বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে। এই অবস্থা পরিবর্তনের জন্য নীতিগত পরিবর্তন ও প্রয়োগ জরুরী। পাশাপাশি আমদের সচেতনতা ও পরিবেশ বান্ধব কাজকে প্রাধান্য দিতে হবে, প্রতিটি বৃক্ষের সাথে আমদের যে অন্তর্নিহিত সম্পর্ক রয়েছে তা অনুধাবন করতে হবে’। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আলোচনায় জনাব এস এম ছায়েদুর রহমান বলেন ‘ দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রম এর অংশ হিসাবে পরিবেশ বিষয়ে আজকে যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হল, তা শিক্ষার্থীদের মনে দাগ কাটবে এবং তারা পরিবেশ সংরক্ষণে ভুমিকা রাখবে এবং তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে’।
অনুষ্ঠানের সভাপতি জনাব গৌরাঙ্গ নন্দী ‘জীবাশ্ম জ্বালানি কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতির উপর সরকারকে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তিনি সরকারের জ্বালানি নীতিমালা পরিবর্তন, জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প যে সকল জ্বালানি রয়েছে তা দ্রুত বাস্তবায়নের উপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানান’।
আলোচনা শেষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীদেরকে দুর্নীতি বিরোধী শপথ পাঠ করানো হয় এবং বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। এরপর সকলের অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ফলজ ও বনজ বৃক্ষ রোপণ করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে দুইশতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষকবৃন্দ, সনাক, ইয়েস এবং এসিজি সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।









