ইরান যুদ্ধ ঘিরে পেছনের দরজার কূটনীতি আবার জোর পাচ্ছে, তবে সেটি এগোচ্ছে সামরিক চাপ, নৌপথে বিঘœ এবং গভীর অবিশ্বাসে ভরা পরিবেশে। রয়টার্স জানায়, ওয়াশিংটন সমুদ্রপথে চাপ বাড়িয়ে তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ কড়া করেছে, কিন্তু একই সঙ্গে আরও আলোচনার সম্ভাবনাও খোলা রেখেছে। এপি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলো অবরোধের পর নতুন দফা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকের ব্যবস্থা করতে কূটনীতিকরা কাজ করছিলেন, আর তেহরানও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত দেয়।
চাপ ও আলোচনার এই যুগল কৌশলই এখন সংঘাতের এই পর্যায়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য। কৌশলগত কেন্দ্রবিন্দু রয়ে গেছে হরমুজ প্রণালী, যেখানে দীর্ঘস্থায়ী বিঘœ তেল, বীমা ও পরিবহন ব্যয় বাড়িয়ে দ্রুতই বিশ্ব অর্থনীতিতে ধাক্কা দিতে পারে। ফলে সরকার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তারা শুধু বর্তমান সামরিক বাস্তবতা নয়, একটি ভুল পদক্ষেপে পুরো অঞ্চলে আরও বড় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও হিসাব করছে।
এই মুহূর্তে ঘটনাটি পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তির গল্প নয়; বরং এটি একটি বিপজ্জনক বিরতি। কূটনীতি চলছে, কিন্তু তা এমন এক যুদ্ধঘেরা বাস্তবতায় চলছে যেখানে নিষেধাজ্ঞা, নৌচাপ এবং জ্বালানি অনিশ্চয়তা এখনও প্রধান চাপের অস্ত্র।








