প্রকাশ : ৩০ মে ‘২৬খ্রি. শনিবারে
দেশ প্রতিবেদক :
খুলনায় দুই শিশুসহ এক বৃদ্ধা মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার দারুল আমান মসজিদ গলির শরিফুল ইসলামের বাড়িতে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। শনিবার সন্ধ্যায় এই মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানায়। এ সময়ে পুলিশ শিশুদের মা ফাতেমা বেগম মেরিকে আটক করেছে। সন্দেহের তালিকায় মেরি এবং তার দ্বিতীয় স্বামী।

ক্যাপশন : ত্রিপল মার্ডারের শিশু শামীমকে হত্যার পরে ট্র্যাংকের উপরে মুড়িয়ে রেখে দেয় হত্যাকারী। দেশ সংযোগ
ফাতেমা বেগম মেরির ভিডিও বার্তায় বলেন, সোনাডাঙ্গার দারুল আমান জামে মসজিদ গলির শরিফুল ইসলামের বাড়িতে মেরি তার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল হাওলাদার তার মা বেবি ও দুই শিশু সন্তান যথাক্রমে ৪ বছরের মুস্তাকিম এবং ১৩ বছরের শামিমকে নিয়ে ভাড়া থাকে। বিগত ৬ মাস যাবৎ দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল হাওলাদারের সাথে তার বনিবনা হচ্ছিল না। রফিকুল সে বাড়িতেও আসতো না। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার ঈদের দিন এবং শুক্রবার বাড়িতে আসে। এ সময়ে ছেলেদের সাথে কথা বলে। এরই যেকোন এক সময়ে রফিকুল হাওলাদার হত্যার মত এই নারকীয় ঘটনা ঘটিয়েছে বলে মেরি ধারণা করছে। এ সময়ে মেরি বাড়িতে ছিলোনা বলে জানান।

ক্যাপশন : ত্রিপল মার্ডারের শিশুদের নানী বেবিকে হত্যার পরে খাটের নীচে রেখে দেয় হত্যাকারী। দেশ সংযোগ
এদিকে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ফাতেমা বেগম মেরির এই ভাড়াটিয়া বাসাটি ঈদুল আজহা দিন থেকে ৩ দিন ধরে বন্ধ দেখা যায়। বাসাটি বন্ধ দেখে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হলে তারা ৯৯৯ এ ফোন দেন। ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থালে এসে মৃতদেহ দেখতে পায়। পরে পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় খাটের নিচে নানি বেবি ও ট্রাঙ্কের উপরে মোড়ানো অবস্থায় নাতনী শামিমের লাশ এবং ওয়ারড্রবের ভিতরে মুস্তাকিম এর লাশ উদ্ধার করে। ২ শিশুর মা মেরি বেগমকে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ আটক করেছে। ধারণা করা হচ্ছে মেরি বেগমের দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল ইসলাম এই হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে। মেরি বেগমের প্রথম স্বামী মাসুম এর সাথে চার বছর আগে ছাড়াছাড়ি হয়। তবে শিশুর মা ফাতেমা বেগম মেরিও এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকতে পারে বলে পুলিশ ও স্থানীয়রা সন্দেহ করছে। হত্যাকাণ্ড নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা গুঞ্জন সৃ্ষ্টি হয়েছে। পুলিশ হত্যাকান্ডের জড়িতের আটকের তৎপরতা চালাচ্ছে।
ক্যাপশন : ত্রিপল মার্ডারের সন্দেহ ভাজন শিশুদের মা আটককৃত ফাতেমা বেগম মেরি। – দেশ সংযোগ








