মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে জ্বালানি বাজার অস্থির থাকায় বাংলাদেশ জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে অফিস সময় কমিয়েছে এবং সরকারি ব্যয়ও কমানোর পথে গেছে। রয়টার্স জানায়, আমদানি নির্ভর জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংঘাতঘন পরিস্থিতির প্রভাব থেকে সরাসরি চাপ অনুভব করছে।
এটি শুধু প্রতীকী সিদ্ধান্ত নয়। যখন কোনো সরকার জ্বালানি বাঁচাতে কাজের সময় কমায়, তখন বোঝা যায় বাহ্যিক ধাক্কা দৈনন্দিন প্রশাসনের মধ্যেই ঢুকে পড়েছে। আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর উচ্চ নির্ভরতা মূল্যবৃদ্ধি, চালান বিলম্ব বা বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিঘœ – সব ক্ষেত্রেই দেশকে ঝুঁকিতে ফেলে।
এই নীতি তাৎক্ষণিক চাপ কিছুটা সামাল দিতে পারে, কিন্তু এর সঙ্গে অর্থনৈতিক ঘর্ষণও আছে। কম কর্মঘণ্টা সেবার গতি কমাতে পারে, ব্যবসায়িক কার্যক্রমে জটিলতা আনতে পারে এবং জনমনে সংকটের অনুভূতি বাড়াতে পারে। এখন মূল প্রশ্ন হলো, এসব ব্যবস্থা ঢাকাকে আরও স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট সময় কিনে দিতে পারবে কি না।









