প্রকাশ : ০৬ জুন ’২৬ খ্রি. শনিবার
আবু হোসাইন সুমন, মোংলা :

লেখক : সাংবাদিক, কলামিষ্ট ও পরিবেশবিদ
নানাবিধ ক্ষতিতে হুমকির মুখে পড়েছে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য। প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্ট এই দুই ক্ষয়ক্ষতিতেই বনের প্রাণ-প্রকৃতি মারাত্মক ভাবে বিনষ্ট হচ্ছে। তবে প্রাকৃতিক ক্ষয়ক্ষতির তুলনায় মনুষ্য সৃষ্ট ক্ষতিতে বেশি হুমকিতে রয়েছে সুন্দরবন। প্রাকৃতিকভাবে ঝড়-জলোচ্ছাসের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠা সম্ভব হলেও জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যাগুলো বনের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি সাধন করছে। এর সাথে রয়েছে ফারাক্কা বাঁধের প্রভাবও। ফারাক্কার কারণে উজানের মিষ্টি পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লবণাক্ততায় কুঁড়ে খাচ্ছে সুন্দরবনকে। রামপাল কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র এখন সুন্দরবন ধ্বংসের অন্যতম কারণ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ সকল ক্ষতির কারণেই জাতিসংঘের ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য সেন্টার’র বিজ্ঞানী ও পরিদর্শক দল সুন্দরবনকে বিপদাপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে।
অনুসন্ধান জানা গেছে, সুন্দরবনের অভ্যন্তরে অসংখ্য নদী-খাল রয়েছে। আর এসব নদী-খালে মাছের প্রাচুর্যতা রয়েছে। কিন্তু অতি মুনাফা লোভী জেলেরা ওই সকল খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করে থাকে। এতে একসাথে একদিকে য়েমনি অনেক মাছ পাওয়া যায় তেমনি বিষক্রিয়ায় অনেক মছের পোনাও মারা যায়। এতে মাছের প্রজনন কমে যাওয়ার পাশাপাশি বিষ মিশ্রিত মাছ খেয়ে মানুষের স্বাস্থ ঝুঁকি বাড়ছে। সেই সাথে বিষ মিশ্রিত পানি বনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে। এ পানিও পান করছে বনের পশু-পখী। তাতে পশু-পাখি ও অন্যান্য জলজ প্রাণী অসুস্থ এবং মারা পড়ছে। এতে বিরুপ প্রভাব পড়ছে বনের প্রানীকূলেও।

শিল্প দূষণে সুন্দরবনের ক্ষতিও কোন অংশে কম নয়। সুন্দরবনের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে অর্থাৎ ইসিএ (ইকোলজিকাল কিটিক্যাল এরিয়া) অপরিকল্পিত শিল্পায়ন গড়ে উঠেছে। এ সকল শিল্প কলকারখানার বর্জ্য পড়ছে সুন্দরবনের প্রাণ পশুর নদীতে। আর পশুর নদীর জোয়ার-ভাটায় তা প্রবেশ করছে বনের অভ্যন্তরে। আর এতে বনের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রতিনিয়তই।
প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণের শিকারও সুন্দরবন। সম্প্রতি এক গবেষণায় সুন্দরবন সংলগ্ন মোংলা, পশুর ও রুপসা নদীর ১৭ প্রজাতির মাছে মাইক্রো প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে। এই মাইক্রো প্লাস্টিকের কণার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি মিলেছে সুন্দরবনের হরিণা চিংড়িতে। এ মাছে মানবদেহে ক্যান্সার ও লিভার ঝুঁকি বাড়ছে। এছাড়া মাইক্রো প্লাস্টিকের কণা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করছে। সম্প্রতি ব্রাজিলের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ৭টি বিশ্ব বিদ্যালয়ের গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।
সুন্দরবনের বাঘসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী পাচারে আন্তর্জাতিক চোরাকারবারী চক্র সক্রিয় রয়েছে। বন্যপ্রাণী অপরাধ দমনে মুল চ্যালেন্জ হলো এ সকল অপরাধীদের গ্রেফতার করতে না পারা। ডব্লিউসিএস’র (ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন সোসাইটি) গবেষণা অনুযায়ী বন্যপ্রাণী অপরাধের মাত্র ৩০ ভাগ আসামী গ্রেফতার হয়। তারমধ্যে ২০ ভাগ মামলা হয়। ৪শ মামলার এক-চতুর্থাংশের রায় দিতে সময় লেগেছে ৮ বছর। বেশির ভাগ মামলা পেন্ডিং থাকছে। মামলায় সাজা কম ও মামলার দীর্ঘসূত্রিতা রয়েছে। তাই মামলা শেষে আবার তারা অপরাধে জড়াচ্ছে।
সুন্দরবনের ৫৫ ভাগ এলাকাই অভয়াশ্রম। সেই অভয়াশ্রমও এখন আর নিরাপদ নেই। নিষিদ্ধ অভয়াশ্রমে এক শ্রেণীর অসাধু বন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের সহায়তায় সারা বছরই মাছ শিকার করে থাকে অসৎ জেলেরা। ফলে অভয়াশ্রমও ধ্বংস হচ্ছে।
সুন্দরবনের নদীতে তেল, কয়লা, সার ও ক্লিংকার বোঝাই জাহাজ ডুবিতে জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি তো হয়েই আসছে। এছাড়া বনের ভিতর দিয়ে নৌযান চলাচলের ঢেউয়ে ও শব্দে বনের ক্ষতি সাধন করছে। নৌযান থেকে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে নদীতে। নৌযানের ঢেউয়ে বনে ভাঙ্গন ধরছে। গাছপালা নদীতে বিলীন হচ্ছে। নৌযানের বিকট শব্দে বন্যপ্রাণীর বিচরণ ও প্রজনন বিঘ্নিত হচ্ছে। নৌযান চলাচলে ডলফিনের অভয়াশ্রম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্র পিষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জলোচ্ছ্বাস ও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে সুন্দরবন। এতে বন্যপ্রাণীর ক্ষয়ক্ষতি, প্রজনন সমস্যা ও প্রানীকূলের সুপেয় পানির আধার বিনষ্ট হচ্ছে।
ফারাক্কা বাঁধের কারণে উজান থেকে মিষ্টি পানির প্রবাহ না থাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে বনের অনেক গাছপালা মারা যাচ্ছে। ফারাক্কার বড় ধরনের একটা প্রভাব পড়ছে গোটা সুন্দরবনে। ফলে এ বনের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দীর্ঘ মেয়াদে।
কয়লা ভিত্তিক রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ফলে পশুর নদী দূষণ হচ্ছে। পশুর নদীর পানিতে বিষাক্ত সীসার (মার্কারী) পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুন্দরবনের প্রাণ পশুর নদীতে সহনীয় মাত্রার চেয়ে ১০ গুন মার্কারি বেড়েছে। সরকারী সংস্থা সিইইজিএস বিগত অন্তবর্তী সরকারের আমলের সমীক্ষায় এ তথ্য মিলে। এতে জলজ প্রাণীর ক্ষতি ও বায়ু দূষণে মানুষেরও ক্ষতি হচ্ছে। আর সব মিলিয়ে এর ক্ষতিকারক প্রভাব পড়ছে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যে।
জাতিসংঘের আইইউসিএন’র তথ্যমতে সুন্দরবনের মহাবিপন্ন প্রাণীর তালিকায় রয়েছে বাঘ, ভোদড়, শকুন ও কচ্ছপ। বিপন্ন প্রাণীর তালিকায় রয়েছে বানর, মেছোবিড়াল ও উইদ বিড়াল। আর সংকটাপন্ন প্রাণীর তালিকায় রয়েছে বনবিড়াল, বাগদাস, ইরাবতি ডলফিন ও শুশুক।
সুন্দরবনে একের পর এক আগুন লাগায় বনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে আসছে। গত ২২ বছরে ২৭ বার আগুন লেগেছে সুন্দরবনে। অসাধু মাছ ব্যবসায়ী ও কতিপয় অসৎ বন কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এইসব আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে আসছে। এতে ৭০ একর বনভূমি পুড়ে গেছে।
সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’র কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ নুর আলম শেখ বলেন, সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি হলো বিষ দিয়ে মাছ ধরা। সুন্দরবনে বাঘসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী পাচারের আন্তর্জাতিক চোরাকারবারি চক্র সক্রিয় থাকা। আর সুন্দরবনের জন্য বড় থ্রেট হলো বনবিনাশী রামপাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ অপরিকল্পিত শিল্পায়ন। সুন্দরবনে শিল্প দূষণ, প্লাস্টিক-পলিথিন দূষন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনে গত ২০ বছরে ২৬ বার আগুন লেগে ৭০ একর বনভূমি পুড়ে গেছে। সুন্দরবনের প্রায় ৫৫ ভাগ অভয়াশ্রমে অবৈধ ভাবে মৎস্য আহরণ চলে। ফারাক্কা বাঁধের কারনে মিষ্টি পানির প্রবাহ না থাকার কারনে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক অভিঘাত সুন্দরবনের উপর পড়েছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসে সুন্দরবন বিপর্যস্ত। পশুর নদীতে ঘন ঘন কয়লা ও তেল ভর্তি জাহাজ ডুবির ফলে সুন্দরবনের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের গর্বিত অভিভাবক আমরা। এশিয়ার ফুসফুস সুন্দরবন রক্ষায় আমরা ব্যর্থ হলে আগামী প্রজন্মের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে।
ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’র (ধরা) কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব শরীফ জামিল বলেন, রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পশুর নদীতে মার্কারি দূষণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে প্রকাশিত হয়। খোলা জাহাজে করে কয়লা আনা নেয়া, এমনকি কয়লার জাহাজ ডুবির ঘটনাও ঘটেছে। এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চিমনীর বায়ু দূষণ ও পশুর নদীর পানি দূষণ সুন্দরবনের অত্যন্ত যৌগিক ও সংবেদনশীল বাস্তুতন্ত্রে অনেক আগেই আঘাত করেছে। সেজন্য জাতিসংঘের ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য সেন্টার’র বিজ্ঞানী ও পরিদর্শক দল সুন্দরবনকে বিপদাপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে। সুন্দরবনে ধ্বংসযজ্ঞ অনেকদিন ধরেই চলমান। এর বিশালতার কারণে আমরা খালি চোখে সরল চিন্তায় এখনো এই অপূরণীয় ক্ষতি বুঝতে পারছি না। রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বেপরোয়া শিল্পায়নকে সঠিকভাবে পুনরায় পরিকল্পিত টেকসই শিল্পায়নে রূপান্তর করতে হবে।
সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বন অপরাধ দমনে টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। এবং ড্রোন দিয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে বন অপরাধ কমে এসেছে। বিশেষ করে বিষ প্রয়োগ ও হরিণ শিকার কমেছে। বনের যে এলাকায় অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে সেখানকার বন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের অধিক তৎপরতার কারণে এবার চলতি শুস্ক মৌসুমে বনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এখন ঘটেনি। এছাড়া পর্যটকদের মাধ্যমে যে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ হচ্ছিল সেটাও আমরা কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। আর বড় একটা দূষণ হচ্ছে মোংলা বন্দরের পিকনিক কর্ণার থেকে, সেখানে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ ঘটছে। এটা বন্দর কর্তৃপক্ষের দেখা প্রয়োজন। আর শিল্প দূষণে যে ক্ষতি হচ্ছে সেটির বিষয়ে তো ব্যবস্থা নিবে পরিবেশ অধিদপ্তর।
পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনার বিভাগীয় উপপরিচালক শরীফুল ইসলাম বলেন, মোংলা বন্দরে যেসব শিল্প কলকারখানা রয়েছে তা দিয়ে কোন তরল বর্জ্য বের হয়না। এলপিজি ফ্যাক্টরীগুলো দিয়ে তেমন দূষণ হয়না। আর সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর মাধ্যমে বায়ু দূষণ কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তারপরও প্রতি বছর ও ৬ মাস পর পর ওই এলাকার বায়ু পরীক্ষা করা হচ্ছে। ফ্যাক্টরীগুলোকে বিভিন্ন বিধিনিষেধের আওতায় আনা হচ্ছে। এবং দূষণ যাতে না হয় সেজন্য তাদেরকে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া সুন্দরবনের মধ্যদিয়ে জাহাজ চলাচলে যে দূষণ হচ্ছে, সেটিকে রোধ করতে গেলে আমাদেরকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে। রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রেও প্রতিনিয়ত মনিটরিং করা হচ্ছে। দূষন রোধে আমরা পরামর্শের পাশাপাশি তাদরকে সতর্কও করছি।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের অর্জন হলো বিগত ২২ বছরে বনে ২৭ বার আগুন লেগেছে, এবার কিন্তু লাগেনি। কারণ বনবিভাগের নিয়মিত টহল ও ড্রোন নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। আর বিষ দেয়া দুর্বৃত্ত যে জোনে ধরা পড়বে সেই জোনের বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সুন্দরবনের সাথে লোকালয়ের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। খাল খনন ও বেরিগেড দেয়া হচ্ছে। যাতে দুর্বৃত্ত বনে প্রবেশ করতে না পারে এবং বন্যপ্রাণী যেন লোকালয়ে আসতে না পারে। এতে অপরাধ কমার পাশাপাশি বন্যপ্রাণীর সুরক্ষা হবে। বনবিভাগের কঠোরতায় বন অপরাধও কমে আসছে। এছাড়া দস্যুতা নির্মুল করা হচ্ছে। প্রশাসনের তৎপরতায় অনেক দস্যু আটক হয়েছে, আর একটি বাহিনী আত্মসমর্পণও করেছে। আর ট্যুরিজম ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে এবার জুন, জুলাই ও আগস্টের নিষিদ্ধ সময়ে শুধু করমজলে পর্যটক পরিবহন চালু রাখা হয়েছে। সুন্দরবন সুরক্ষা ও বন নির্ভরশীলদের জীবন জীবিকা এবং বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আমরা কাজ করছি। বন অপরাধ দমনে সোচ্চার আছি। বন কেন্দ্রিক রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের কোন সুযোগ নেই। কেউকেই বনকে ঘিরে কোন ধরণের দুর্বৃত্তায়ন করতে দেয়া হবেনা।









